রমেন দাস: সবেমাত্র শুরু হয়েছে লোকসভার অধিবেশন। অধ্যক্ষ ওম বিড়লা বসেছেন নির্ধারিত আসনে। দেশের নীতি নির্ধারণের পিঠস্থানে হঠাৎ শোরগোল। হঠাৎই ‘মাফি মাঙ্গো সোনিয়া গান্ধী, মাফি মাঙ্গো কংগ্রেস!’ চিৎকার করে উঠলেন বিজেপি সাংসদরা। সম্বিত ফিরতেই বিষয়টি স্পষ্ট হল।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিজেপি নেতা স্মৃতি ইরানি বলতে উঠলেন। বিজেপির অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা, সাংসদ অধীর চৌধুরী প্রকাশ্যে দেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেছেন। আদিবাসী জনজাতির মহিলাকে অপমান করেছেন তিনি। স্মৃতি ইরানির দাবি, এক সংবাদমাধ্যমে অধীর চৌধুরী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে কাঠপুতুল, অমঙ্গলের প্রতীক এবং রাষ্ট্রপত্নি বলেছেন। দাবি, ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি বিষয়টি নিয়ে অধীরকে বললেও, অধীর নিজের বক্তব্যে অনড় ছিলেন! এই অভিযোগেই সরব হন স্মৃতি।
কংগ্রেসের ‘পুরুষ নেতার মহিলা রাষ্ট্রপতিকে’ অপমান নিয়ে বিক্ষোভ দেখান তিনি। সঙ্গে সামিল হন অন্যান্য বিজেপি সাংসদ, মন্ত্রীরা। স্মৃতির সামনের আসনে বসেই পরিষদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী, মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ারা ফেটে পড়েন বিক্ষোভে। ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সরব হন বাংলার বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এখানেই শেষ নয়, স্মৃতি ইরানিরা কংগ্রেসকে আক্রমণ করে, সোনিয়া গান্ধীকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও তোলেন। যদিও সেই সময়েই লোকসভায় উপস্থিত অধীর চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলেও পারেননি। উপরন্তু লোকসভার অধ্যক্ষ মুলতুবি করে দেন অধিবেশন।
Published on Thursday, 28 July 2022, 2:02 pm | Last Updated on Thursday, 28 July 2022, 2:55 pm by Bahok Desk









