বাহক নিউজ় ব্যুরো: সোমবার তথা ২রা আগস্টই রাজ্যসভায় মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল। উল্লেখ্য, বিজেপির তরফে কাউকে প্রার্থীরূপে মনোনীত করা হয়নি। যদিও বিজেপির তরফে অনেক আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল যে, পদ্ম শিবিরের তরফে কোনো প্রার্থী দেওয়া হবে না। এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন জহর সরকার। উল্লেখ্য, বিজেপি প্রার্থী মনোনীত না হওয়ার কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হলেন জহর সরকার।

রাজ্যসভার সাংসদ পদে নির্বাচিত হওয়ার পরে তিনি বললেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের ত্রুটি, সমালোচনার আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ পেলাম। যাঁকে নিয়ে এত সমস্যা এবার তাঁকে সামনে পাব”। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে প্রাক্তন আমলা তরফে এই দেওয়া এই বয়ানকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাম না করেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ-কে অদৃশ্য তীরে নিশানা করেছেন।

Advertisements
Appy Family Salon AD Banner Use Code to get Discount

প্রসঙ্গত, যে পদটিতে প্রসার ভারতীয় প্রাক্তন আধিকারিক জহর সরকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন, সেই পদটিতে আগে আসীন ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। উল্লেখ্য, দীনেশ ত্রিবেদী আগে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। একুশে নির্বাচনের বেশ আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এতদিন ধরে এই আসন ফাঁকা ছিল। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ২রা আগস্ট এবং এই আসনেই উপনির্বাচন করার দিন হিসাবে ৯ আগস্টকে ধার্য করা হয়। এদিকে, বিজেপির তরফে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার কারণে, তৃণমূলের তরফে অবশেষে জহর সরকার রাজ্যসভার ফাঁকা আসনটির জন্য নির্বাচিত হলেন।

Published on Tuesday, 3 August 2021, 9:59 am | Last Updated on Tuesday, 3 August 2021, 9:59 am by Bahok Desk