Table of Contents
Mayarani 44 Voter Controversy: বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করে কোনোক্রমে দিন চলা পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ডিভিসির বাসিন্দা বিধবা মায়ারানি গোস্বামী হলেন ৪৭ নম্বর বুথের ভোটার। এবার বিএলও, ওই মহিলার এনুমারেশন ফর্মে কোড স্ক্যান করতে গিয়ে রাজ্যের ৪৪ জায়গায় ভোটার হিসাবে পেয়েছেন তার নাম পেয়েছেন। এমন অভাবনীয় ঘটনায় অবাক খোঁদ বিএলও। চলুন জেনে নেওয়া যাক সম্পূর্ণ ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত।
কী ঘটেছে?
রিপোর্ট অনুযায়ী, পেশায় রাঁধুনি মধ্যবয়স্কা পশ্চিম বর্ধমানের মায়ারানির নামে রয়েছে ৪৪টি ভুয়ো এপিক কার্ড। রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম এক থাকলেও স্থান ভেদে তার পদবি আলাদা রয়েছে। কোথাও তার পদবি ‘রায়’, কোথাও ‘মণ্ডল’, কোথাও ‘ঘোষ’ , আবার কোথাও ‘নাইয়া’, কোথাও ‘কোঙার’, কোথাও ‘মুর’, কোথাও আবার ‘প্রামাণিক’। এমনকি তার নামে অভিযোগ রয়েছে যে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার বয়সও কম দেখানো হয়েছে। এমন ভুল নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন এবং এর পাশাপাশি শুরু হয়েছে জোরালো বিতর্ক। নির্বাচন কমিশন শুরু করেছে তদন্ত। ওই মহিলার বক্তব্য, ‘‘বাবারা, আমি তো কিছুই জানি না। শুরু থেকে আমি বৈদ্যনাথপুর স্কুলে ভোট দিই। এসআইআরের ফর্ম পাড়ার সবাই পূরণ করেছে। আমিও করেছি। তার পর জনে জনে আমাকে এসে প্রশ্ন করছেন। তবে অনেকেই বলেছেন, আমার কোনও ভয় নেই।’’ এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে তৃণমূল। এদিকে, অভিযোগের পাল্টা হিসেবে বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল।
কে, কী বললেন?
পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি যেমন মানতেই নারাজ যে, এটা ছোটখাটো ভুল। তিনি বলেন, “এসআইআর হচ্ছে বলে তো এটা বেরোল। না-হলে তো কোনও দিন জানাই যেত না যে এমন ভোটারও বাংলায় আছেন। মায়ারানির মতো এমন অনেক অসহায় মানুষের নাম ব্যবহার করা হয়েছে ভোটের রাজনীতির স্বার্থে। এসআইআর হচ্ছে সেগুলো প্রকাশ্যে আনার জন্যই। নির্বাচন কমিশন এর সত্বর তদন্ত করুক।” তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি রবিন পাল বলেন, ‘‘কমিশন দ্রুত তদন্ত করুক। কে বা কারা এমন চক্র চালাচ্ছে, তা খুঁজে বার করা হোক। তবে ভুক্তভোগী মহিলার যেন কোনও ক্ষতি না হয়, সেটাও দেখা প্রয়োজন।’’ বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, ‘‘এটা তো নির্বাচন কমিশনের দেখা উচিত! শুধু এই রাজ্য নয়, অন্যান্য রাজ্যের এমন ঘটনা ঘটেছে।’’ পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নাম্লম এস বলেন, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’
Published on Monday, 24 November 2025, 3:07 pm | Last Updated on Monday, 24 November 2025, 3:07 pm by Bahok Desk









