বাহক নিউজ় ব্যুরো: উৎসবপ্রিয় বাঙালির অন্যতম উৎসব বিশ্বকর্মা পুজো। এইদিন বিভিন্ন কল-কারখানায় যেরকম পুজো হয়, তেমনই অনেকে বাড়িতেও পুজো করেন। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন পুজো ছাড়াও যেটা হয় সেটি হল ঘুড়ি ওড়ানো।আকাশ ছেয়ে যায় পেটকাটি চাঁদিয়াল, মোমবাতি বগ্গায়।কিন্তুু বিশ্বকর্মা পুজোর সাথে ঘুড়ি ওড়ানোর কী সম্পর্ক সেটি আমরা অনেকেই জানিনা, আসুন জেনে নেওয়া যাক

বিশ্বকর্মা পুজোর দিন আকাশ ছেয়ে যায় নানা রঙের, নানা ধরনের ঘুড়িতে। দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলায় ঘুড়ি ওড়ানো চল। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ধনী ব্যক্তিরা নিজের ঘুড়ির সঙ্গে টাকা বেঁধে আকাশে ওড়াতেন, সাধারণ মানুষের সামনে নিজেদের অর্থবান বোঝানোর জন্য। সেই ঘুড়ি চলে যেত অন্য কোথাও।বর্ধমান রাজবাড়িতেও ঘুড়ি ওড়ানোর চল ছিল বলে জানা যায়। রাজা মহতাবচাঁদ নিজেই ঘুড়ি ওড়াতেন। পাঞ্জাব থেকে আসা বর্ধমানের রাজারা স্বভাবতই ঘুড়ি ওড়াতে ভালোবাসতেন, কারণ পাঞ্জাবে ঘুড়ি ওড়ানো বেশ জনপ্রিয় ছিল।

Advertisements
Appy Family Salon AD Banner Use Code to get Discount

কিন্তুু নির্দিষ্ট করে বিশ্বকর্মা পুজোর দিনেই কীভাবে ঘুড়ি ওড়ানো জনপ্রিয় হল এটার উত্তর জানতে হলে আমাদের পুরাণ ঘেটে দেখতে হয়। বিশ্বকর্মা ছিলেন স্থাপত্য বিদ্যার জনক। যুদ্ধাস্ত্র যেমন তৈরি করতেন, তেমনই তৈরি করতেন উড়ন্ত রথ। বিশ্বকর্মার এই উড়ন্ত রথকে স্মরণ করতে, বিশ্বকর্মা পুজোর দিন ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচলন শুরু হয়। এভাবেই বিশ্বকর্মার সাথে ঘুড়ি ওড়ানোর সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে।

Published on Friday, 17 September 2021, 3:36 pm | Last Updated on Friday, 17 September 2021, 3:36 pm by Bahok Desk